Home Blog

যে কারণে সাংবাদিক ইলিয়াসের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে পিবিআই

পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে রিমান্ডে নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংবাদ সম্মেলনে মিতু হত্যাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিদেশে অবস্থানরত সাংবাদিক ইলিয়াসের ‘মিথ্যা তথ্যের’ বিষয়টিও উঠে আসবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আগামীকাল মঙ্গলবারই (২৭ সেপ্টেম্বর) এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। নানা অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদার।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পিবিআই সদরদপ্তরে মিতু হত্যা মামলা সংক্রান্তে বাবুল আক্তারসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইলিয়াস হোসাইনের মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদ সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন পিবিআই প্রধান।

সম্প্রতি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। ইউটিউবে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে বনজ কুমার মজুমদারের বিরুদ্ধে বাবুলকে রিমান্ডে নির্যাতনসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনেন তিনি।

ইলিয়াস হোসাইনের পোস্ট করা ভিডিওতে বলা হয়েছে, এই মামলায় বাবুল আক্তারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসিয়েছেন বনজ কুমার। এছাড়া তাকে রিমান্ডে নির্যাতনও করা হয়েছে। মিথ্যা সাক্ষী সাজানোর অভিযোগও রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

পরে বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে তারই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। এরপর গত বছরের ১২ মে আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন। ওইদিনই মামলাটিতে বাবুলকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে তিনি। তখন থেকে দুটি মামলার তদন্তও করছে পিবিআই।

এদিকে সাংবাদিক ইলিয়াসের ভিডিও প্রকাশের পরই বনজ কুমার মজুমদারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেন বাবুল আক্তার। তবে মামলার আবেদন খারিজ করে দেন আদালত।

যে কারণে বিপিএলে দল পাচ্ছেনা সাকিবের মোনার্ক মার্ট

বিপিএলে মোনার্ক পদ্মা নামের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল সাকিব আল হাসানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মোনার্ক মার্ট। আর দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকবেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার, এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকদের তালিকায় দেখা যাচ্ছেনা সাকিবের নাম।

আজ সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক।

তিনি বলেন, একটা বিষয় আপনারা ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন। ভুল বলব না… তবে কোনো বর্তমান ক্রিকেটার যারা বিপিএল খেলবে তারা দল কিনতে পারবে না। সাকিবের নামে কোনো আবেদনই আমাদের কাছে আসেনি। অনেক জায়গায় দেখেছি মাশরাফি নাকি দল কিনেছে। কিন্তু মাশরাফি তো দল কেনার আগ্রহ দেখায়নি। একটা দল এসেছে। যারা বিপিএলে দল গঠন করবে। কিন্তু কোনো বর্তমান খেলোয়াড় ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক হতে পারবে না। আমাদের কাছে মোনার্ক লেদার নামে আবেদন এসেছিল।

যাছাই-বাছাই শেষে আমরা পুরনোদেরকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি। কারণ ইতোমধ্যে তারা বিপিএলে অনেক বিনিয়োগ করেছে।

বান্দরবানে আতঙ্ক; রাতের আকাশে ঘুরছে মিয়ানমারের ড্রোন

0

বান্দরবান সীমান্তজুড়ে আতঙ্ক কমছেই না। প্রতিদিনই তুমব্রু সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি হচ্ছে। আগের মতো ভারি অস্ত্র এবং মর্টারশেল বিস্ফোরণের তেমন কোনো শব্দ শোনা না গেলেও আতঙ্কিত বাংলাদেশের নাগরিকরা।

এছাড়া মধ্যরাতে বাংলাদেশ ভূ-খণ্ডের ভেতরেও ঘুরে বেড়াচ্ছে মিয়ানমার বাহিনীর ড্রোন। সীমান্তবর্তী তুমব্রু বাজার, ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের আশপাশের এলাকা, শূন্যরেখার রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির, উত্তর তুমব্রু এলাকায় শব্দহীন ড্রোন দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সীমান্ত অঞ্চলের বাংলাদেশিরা।

এসব ঘটনার সত্যতা জানিয়ে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য দিল মোহাম্মদ ভুট্টো বলেন, সোমবার সীমান্তের ওপারে তেমন কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। এর আগে রবিবার দুপুরে কয়েকটা এবং বিকালে ও সন্ধ্যায় কয়েকটি গোলা বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গিয়েছিল সীমান্তের ওপারে। এছাড়া শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের অভ্যন্তরেও মিয়ানমার বাহিনীর ড্রোন দেখা যাচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এলাকায়ও দেখা গেছে।

বিষয়টি স্বীকার করে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, শব্দহীন মিয়ানমার বাহিনীর আকাশযান ঘুরে বেড়াচ্ছে সীমান্ত এলাকাগুলোতে। মিয়ানমার বাহিনীর ড্রোনে খুব কাছ থেকে নিয়মিতই দৃশ্যধারণ এবং ছবি তোলা হচ্ছে তুমব্রু বাজারসহ আশপাশের এলাকার। লাল-নীল রঙের মিটমিট লাইট জ্বালা পাখির মতো উড়ন্ত যান থেকে ছবি তোলার শব্দগুলো স্থানীয়দের মাঝে নতুন শঙ্কার জন্ম দিচ্ছে। বিষয়টি বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করা হয়েছে। তবে সীমান্তের সার্বিক পরিস্থিতি আগের চেয়ে মোটামুটি ভালো।

বরেণ্য ইসলামি ব্যক্তিত্ব ইউসুফ আল-কারযাভী আর নেই

সুন্নী মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ধর্মীয় পণ্ডিত শেখ ইউসুফ আল-কারযাভী ইন্তেকাল করেছেন।

মিশরীয় এই ধর্মীয় পণ্ডিত আন্তর্জাতিক মুসলিম পণ্ডিত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের একজন নেতা ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৯৬ বছর। আজ (সোমবার) তাঁর টুইটার একাউন্টে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করা হয়।  

আল-কারযাভী কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল- জাজিরাতে নিয়মিতভাবে ধর্মীয় আলোচনা করতেন। ‘শরীয়াহ এবং জীবন’ নামক একটি জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ছিলেন তিনি। সেখানে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন ফোনকল করে ধর্মতাত্ত্বিক বিধিবিধান সম্পর্কে পরামর্শ চাইতেন। তাদেরকে তিনি দৈনন্দিন জীবনের জাগতিক দিক থেকে শুরু করে বিশ্ব রাজনীতিসহ সকল বিষয়ে পরামর্শ দিতেন।

২০১৩ সালে মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুরসিকে উৎখাতকারী অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হন তিনি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে মুরসিও মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে মিশরের রাষ্ট্রপতি আব্দেল ফাতেহ-আল-সিসির বিরোধিতার কারণে মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এই ঘটনার পর আল-কারযাভী আর মিশরে ফিরতে পারেননি।

২০১১ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসনি মুবারককে উৎখাতকারী বিপ্লবের আগে থেকেই এই ধর্মীয় নেতা মিশর থেকে নির্বাসনে ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুর সংবাদে মুসলিম বিশ্বের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করছেন তারা।  তবে লিবিয়াসহ অনেক দেশেই নতুন করে বিরোধিতাও উঠেছে তার মৃত্যু কেন্দ্র করে।

বহিষ্কারাদেশ ভিত্তিহীন দাবি করলেন ইডেনের সেই নেত্রীরা,যাচ্ছেন অনশনে

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজে সংঘর্ষের ঘটনায় শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ১২ নেত্রী বহিষ্কারাদেশকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন। এ নেত্রীরা অবিলম্বে এ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও ‘সুষ্ঠু বিচারের’ দাবিতে আমরণ অনশনে যাচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা অনশন করবেন।

সোমবার(২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত ‘বিনা তদন্তে বহিষ্কার, নেপথ্যে কারা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বহিষ্কৃত নেত্রীরা। ছাত্রলীগের অন্তঃকোন্দলে গত দুই দিন উত্তপ্ত ছিল ইডেন কলেজ ক্যাম্পাস।

বিরোধী দুই পক্ষের সংঘর্ষে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন ওরফে রীভা, সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

ঘটনায় পর গতকাল রবিবার রাতেই ইডেন কলেজ কমিটি স্থগিত ও ১৬ নেতা-কর্মীকে (১২ নেত্রী ও ৪ কর্মী) স্থায়ী বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈ ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার ওরফে বৈশাখী। বক্তব্যের প্রথম অংশ পড়ে শোনান সুস্মিতা।

লিখিত বক্তব্যে বহিষ্কৃত নেত্রীরা জানান, প্রাথমিক তদন্তে বহিষ্কার বিষয়টি আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। নির্যাতনের শিকার সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়ানোর অপরাধে আজকে আমাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ও হাজার হাজার প্রমাণ আছে

এতে আরও বলা হয়, তাঁদের (রিভা-রাজিয়া) চাঁদাবাজির ভিডিও, ইডেন কলেজের অধ্যক্ষকে নিয়ে কটূক্তিসহ বিস্তর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের কেন বহিষ্কার করা হলো না? কোন তদন্তের ভিত্তিতে আমাদের ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো?

লিখিত বক্তব্যের দ্বিতীয় অংশে সামিয়া আক্তার জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষে শুধু একটা পক্ষকে কেন গণহারে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো? ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটে কোনো সমস্যা হলে তার তদন্ত বা সমাধানের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। আমাদের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম না মেনে কেন সরাসরি স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো? সংবাদ সম্মেলনে আমরা ২১ জন নেত্রী উপস্থিত ছিলাম৷ সেখান থেকে ১২ জনকে কেন বহিষ্কার করা হলো? আমাদের বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে৷

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে তারা জানান, আমাদের একমাত্র অভিভাবক দেশরত্ন শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যদি এই ভিত্তিহীন বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা না হয়, আমরা সবাই এর সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন করব৷

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সুস্মিতা বাড়ৈ বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একাংশ ষড়যন্ত্রের (বহিষ্কার) সঙ্গে সরাসরি জড়িত। ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নিয়ম আছে যে কমিটির অধিকাংশ মানুষ যদি একসঙ্গে বহিষ্কৃত হয় বা গণহারে পদত্যাগ করে, সে ক্ষেত্রে কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। একাংশকে বহিষ্কার করলে কমিটিটাও থাকল, আবার বহিষ্কারও করা গেল।

তিনি বলেন, তথ্যপ্রমাণ নেই। কিন্তু এমন বিষয় আমাদের কানেও বারবার আসে যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তাঁদের (তামান্না ও রাজিয়া) মেয়েরা নাকি কাজ নিয়ে আসে, বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করে…৷

ইডেন কলেজ ক্যাম্পাস থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের পর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে রওনা হন বহিষ্কৃত ১২ নেত্রী।

গোপালগঞ্জের বেয়াই হয়ে গেলাম!

চলতি ২০২২ সাল আমার জীবনে আবারো ফিরিয়ে এনেছে সফলতার ‘২০০১ সাল’। অনেকদিন পর ফিরে পেয়েছি প্রায় ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া আনন্দগুলো। ঝকঝকে ত্বকত্বকে রৌদ্রজ্জ্বল নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলায় ভাসছে আমার পরিবার। আমার পাঁচমাস বয়সী মেয়ে আইদাহ্ আসিফ রঙ্গনের বাবা হবার পরপরই বাসায় বেজে উঠলো বিয়ের সানাই। আমাদের বড় সন্তান শাফকাত আসিফ রণ’র অ্যানগেজমেন্ট হয়ে গেল ২৪ সেপ্টেম্বর, আলহামদুলিল্লাহ্।

মাস ছয়েক আগে আমার ফুপাতো ভাইয়ের ছেলের বিয়ে দিলাম বর্তমান মহামান্য জেলা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে, এবার আমার ছেলে শাফকাতের বিয়ে হচ্ছে বর্তমান মাননীয় জেলা গোপলগঞ্জের কাশিয়ানীতে। দুটো জেলার সাথে একেবারে ব্র্যান্ড নিউ সম্বন্ধ। আমার বেয়াই ইমতিয়াজ হোসাইন সাহেবের কনিষ্ঠা কন্যা ইসমাত শেহরীন ঈশিতা, শাফকাত আমাদের যৌথ পরিবারের বড় ছেলে। একটা আদুরে পরিণয়ের দ্বারপ্রান্তে দুই পরিবারের আবেগ, এর চেয়ে খুশীর খবর আর হতেই পারে না। চমৎকার হাসিখুশী সুখী একটি একান্নবর্তী পরিবারের সাথে একীভূত হতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আমি কুমিল্লাবাসী হিসেবে এখন গোপালগঞ্জের বেয়াই হয়ে গেলাম।

জীবন সংগ্রামে বহু বন্ধুর পথ পেরিয়ে এসে আজ নিজেকে অনেক সুখী মনে হচ্ছে। দুজনই পড়াশোনার পাশাপাশি জব করছে। ঈশিতার ছোট্টবেলা থেকেই তাকে চিনি, লক্ষ্মী মেয়েটাকে মনে মনে পুত্রবধু হিসেবে চেয়েছি। মহান আল্লাহ সহায় হয়েছেন, আমার ইচ্ছাপূরণ হয়েছে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বিয়ের যাবতীয় উৎসব হবে। হাতে একদম সময় নেই। নিজের কাজ থেকে ছুটি নিলাম দশদিনের জন্য, প্লিজ ইন্ডাস্ট্রির কেউ পেমেন্ট দেয়া ব্যতীত কাজের জন্য এই সময়ে আদেশ দেবেন না। সবার দোয়া চাই আমার সত্য সরল সহজ ছেলে রণ আর আদরের বৌ’মা ঈশিতার জন্য। শ্বশুররূপে আবারও মেয়ের বাবা হয়েছি, স্বার্থক একজনমে মহান আল্লাহর প্রতি শুধুই কৃতজ্ঞতা জানাই। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন ও সুন্দর থাকুন।

ভালবাসা অবিরাম…

সরকারিভাবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন হাফেয তাকরিম; তারিখ ও স্থান চূড়ান্ত

0

৪২তম বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জনকারী হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিমকে সরকারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে এই সংবর্ধনা দেয়া হবে।

আগামী মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে (চত্বর) এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: ফরিদুল হক খান।

উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় অনুষ্ঠিত ‘৪২তম বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১টি দেশের ১৫৩ জন হাফেজের মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম।

তাকরিম গত ২৮ মে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পরীক্ষায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন।

অবশেষে মুখ খুললেন রহিমা বেগম

২৯ দিন নিখোঁজের পর ফরিদপুর থেকে উদ্ধার হওয়া মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা বেগম অবশেষে পুলিশের কাছে নিজ অপহরণ ইস্যুতে মুখ খুলেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রহিমা বেগম জানিয়েছেন তাকে অপহরণ করা হয়েছিল।

আজ রবিবার খুলনা পিবিআই কার্যালয়ে প্রায় এক ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অপহরণের বর্ণনা দিয়েছেন। তবে তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেটি তিনি বলতে পারেননি।

পুলিশ ইনভেস্টিগেশন অব বাংলাদেশ (পিবিআই) খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান গণমাধ্যমে এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, রহিমা বেগম আমাদের জানিয়েছেন, অপহরণের পর অজ্ঞাত স্থানে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জমি-জমা নিয়ে বিরোধের জেরে কিবরিয়া, মহিউদ্দিনসহ কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন এবং বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেন। এক পর্যায়ে তাকে এক হাজার টাকা দিয়ে ছেড়ে দেন। রহিমা বেগমের দাবি, তিনি কোন জায়গায় আছেন তা বুঝতে পারছিলেন না। এক পর্যায়ে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর হয়ে পূর্ব পরিচিত ভাড়াটিয়ার ফরিদপুরের বাড়িতে যান। কিন্তু তার কাছে কোনো মোবাইল নম্বর না থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, আমরা রহিমা বেগমের বক্তব্য খতিয়ে দেখছি। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী সবকিছু করা হবে।

সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বলেন, শনিবার ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধারের পর থেকে কোনো কথাই বলছিলেন না তিনি। বেলা ১টার দিকে মেয়ে মরিয়ম মান্নানসহ চার মেয়ের মুখোমুখি করা হয় তাকে। এ সময় মেয়েরা মাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তিনি অপহৃত হয়েছিলেন বলে দাবি করেন। কান্নারত অবস্থায় মেয়েরা মাকে বলতে থাকেন, আমাদের ছেড়ে আর কোনোদিন কোথাও যাবে না! আমাদের জমি দরকার নেই। মাকে দরকার, তোমাকে দরকার!

যখন রহিমা অপহরণ করা হয় তার স্বামী বিল্লাল দোতলায় দাঁড়িয়ে দেখছিলেন। রহিমা বেগম তাকে নামতে নিষেধ করেন এবং নিরাপদে দরজা আটকে দিতে বলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান জানান, মরিয়ম বেগম জানিয়েছেন, চারজন তাকে অপহরণ করেছিল। এরমধ্যে তিনি মহিউদ্দিন ও তার ভাই গোলাম কিবরিয়াকে চিনতে পেরেছেন। বাকি দুজনকে তিনি চিনতে পারেননি।

এর আগে শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সৈয়দপুর গ্রামের কুদ্দুসের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। রহিমা বেগমকে নিয়ে পুলিশের একটি টিম শনিবার রাত ২টার দিকে খুলনার দৌলতপুর থানায় পৌঁছায়।

বাদশাহ আব্দুল আজিজ কুরআন প্রতিযোগিতার যত বিজয়ী

আন্তর্জাতিক হিফজ কুরআন প্রতিযোগিতায় সারা পৃথিবীতে তৃতীয় স্থান অধিকার করে রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বাংলাদেশের সালেহ আহমেদ তাকরিম। বিমানবন্দরে পেয়েছে অজস্র মানুষের ভালোবাসা। তবে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে তাকরিম কিংবা তিনজনই সেরা হয়নি। মোট ৫ ক্যাটাগরিতে বেছে নেয়া হয়েছে ১৫ জন বিজয়ী। এসবের মাঝে কিছু ক্যাটাগরিতে কঠিন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলো প্রতিযোগীরা।

সৌদি আরবে বাদশাহ আব্দুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতার ৪২ তম আসরে বাংলাদেশি হাফেজ সালেহ আহমেদ তাকরিম নিজের অংশ নেয়া ক্যাটাগরিতে ৩য় স্থান অধিকার করে। তাকরিমকে এই পুরস্কারের জন্য পরীক্ষা দিতে হয়েছে ১৫তম পারা পর্যন্ত।

সৌদি আরবের পত্রিকা ও মন্ত্রণালয়ের টুইট থেকে জানা যায়, হিজরি ১৪৪৪ সালের সফর মাসের ১৪ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে  (১০ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর) কোরআন প্রতিযোগিতাটির প্রাথমিক বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১১১ টি দেশের ১৫৩ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। তার মধ্যে ৯৬ জন চূড়ান্ত পর্বের জন্য মনোনীত হন৷ পুরো প্রতিযোগিতার প্রাইজমানি ২৭ লাখ সৌদি রিয়েল।

পুরো প্রতিযোগিতায় পাচঁটি ক্যাটাগরি ছিলো। এ ক্যাটাগরিগুলো মূলত গুরুত্ব ও মর্যাদার ভিত্তিতে করা। ক্যাটাগরিগুলোর মাঝে ছিলো:

প্রথম ক্যাটাগরি: এ ক্যাটাগরিটি সবচেয়ে সম্মানজনক ও গুরুত্বপূর্ণ। এ শাখায় সাতটি ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ ৩০ পারা কুরআনের মুখস্ত তেলাওয়াত, ও বোধসম্পন্ন ব্যাখ্যার পরীক্ষা নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, কুরআন তেলাওয়াত করার অনেকগুলো স্বীকৃত পদ্ধতি আছে। এর মধ্যে সাতটি পদ্ধতিকে খুব প্রসিদ্ধ ধরা হয়। কুরআন পাঠের এই সাতটি পদ্ধতিকে আল শাতিবি তাঁর ‘আশ-শাতিবিয়াহ’ কবিতায় লিপিবদ্ধ করে গেছেন। সুতরাং এ ক্যাটাগরিকে আশ-শাতিবিয়াহ ক্যাটাগরি বলা যেতে পারে। এ শাখায় ভালো করতে হলে আরবি ভাষা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকতে হয়। এটি শুধু কুরআন হিফযের প্রতিযোগিতা নয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা সঠিক বা গ্রহণযোগ্য অর্থে কুরআন বুঝেছেন কি না, আয়াত ও শব্দের ব্যাখ্যা এবং তাৎপর্য অনুধাবন করেছেন কি না, তা এ শাখায় যাচাই করা হয়।

এই অত্যন্ত কঠিন ও শ্রমসাধ্য আশ-শাতিবিয়াহ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মিশরের বিলাল আল-সাইদ (পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩ লাখ ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল), দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন সুদানের আব্দুল লতিফ ওসমান (পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩ লাখ ২৫ হাজার সৌদি রিয়াল), এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন সৌদি আরবের মোহাম্মদ ইব্রাহিম আব্দুল সালাম (পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩ লাখ সৌদি রিয়াল)।

দ্বিতীয় ক্যাটাগরি: এটিও গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাবান ক্যাটাগরি। কারণ এ ক্যাটাগরিতে সম্পূর্ণ ৩০ পারা কুরআনের তেলাওয়াতের পাশাপাশি সমগ্র কুরআনের বিভিন্ন শব্দের বা ভোকাবুলারির অর্থ ও ব্যাখ্যার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিযোগী হাফেজটি সম্পূর্ণ কুরআনের অর্থ বুঝতে সক্ষম হয়েছে কি না, এটি এখানে যাচাই করা হয়েছে। ভোকাবুলারি ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন কিরগিজিস্তানের আলি উমারিব (পুরস্কারের অর্থমূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল), দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন সৌদি আরবের খালিদ সুলাইমান (পুরস্কারের অর্থমূল্য ২ লাখ ৩০ হাজার সৌদি রিয়াল), এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাহরাইনের মোতাহের কোলিয়াব (পুরস্কারের অর্থমূল্য ২ লাখ ১০ হাজার সৌদি রিয়াল)।

তৃতীয় ক্যাটাগরি: এটি মূলত কুরআনের হিফজের পরীক্ষা। এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী কুরআন বুঝেছেন কি না কিংবা কোনো আয়াত ও শব্দের অর্থ বা ব্যাখ্যা জানেন কি না, তা এখানে গুরুত্ব পায়নি। এ শাখায় ৩০ পারা সম্পূর্ণ কুরআনের উপরেই পরীক্ষা করা হয়েছে। এই ক্যাটাগোরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মরক্কোর আহমাদ আসিরি (পুরস্কারের অর্থমূল্য ২ লাখ সৌদি রিয়াল), দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ইন্দোনেশিয়ার জাহরান আওজান (পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ লাখ ৮৫ হাজার সৌদি রিয়াল), এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন গাম্বিয়ার আব্দুল্লাহ ইনজায়ি (পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ লাখ ৭০ হাজার সৌদি রিয়াল)।

চতুর্থ ক্যাটাগরি: এটিও কুরআন হিফয ক্যাটাগরি বলা যেতে পারে। এ শাখায় ১৫ পারা কোরানের পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। এই ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন লিবিয়ার খলিল হাবিশ (পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ লাখ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল), দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন কেনিয়ার মুসা আব্দুল্লাহ (পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ লাখ ১০ হাজার সৌদি রিয়াল), এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের সালেহ আহমদ তাকরিম (পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ লাখ সৌদি রিয়াল)।

পঞ্চম ক্যাটাগরি: এ শাখায় ৫ পারা কোরানের হিফয পরীক্ষা করা হয়েছে। এই ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন থাইল্যান্ডের আহমদ সামু (পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫৫ হাজার সৌদি রিয়াল), দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন সেন্ট্রাল আফ্রিকার ইদ্রিস মোহাম্মদ (পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল), এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন জার্মানির আমিন কানান (পুরস্কারের অর্থমূল্য ৪৫ হাজার সৌদি রিয়াল)।

নার্ভাস রহিমা বেগমের জিজ্ঞাসাবাদ হবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম শেষে

আলোচিত অন্তর্ধান কান্ডের ২৯ দিন পর ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করার সময় রহিমা বেগমের কাছে একটি শপিং ব্যাগ পেয়েছে পুলিশ। সেই ব্যাগ দেখে পুলিশের ধারণা, তাকে অপহরণ করা হয়নি। পরিকল্পিত উপায়েই আত্মগোপন করেছিলেন মরিয়ম মান্নানের মা।

উদ্ধারের পর রহিমাকে খুলনার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরের হাজী মহসিন রোডে পিবিআই খুলনার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

ব্রিফিংয়ে পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখনো মামলাটির তদন্ত করছি। তবে প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, তার কাছ থেকে সাদা রঙের একটি শপিং ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে ওড়না ছিল, হিজাব ছিল, আয়না, শাড়ি, আইড্রপ, ওষুধ ছিল। তার পরিধেয় সালোয়ার–কামিজ ছিল, সঙ্গে ছোট একটি অর্নামেন্টাল পার্টস ছিল। স্বাভাবিকভাবে একজনকে অপহরণ করে নিয়ে গেলে এই জিনিসগুলো থাকার কথা নয়। তবে আমরা একবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। আমরা বিস্তারিত তদন্ত শেষে আপনাদের সবকিছু জানাব। তবে আপাতদৃষ্টিতে এটা অপহরণ না-ও হতে পারে।

তিনি বলেন, রহিমা বেগম কিছুটা ‘নার্ভাস’ অনুভব করছেন। তাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। একটু স্বাভাবিক হলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তার নিখোঁজের বিষয়ে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হবে।

পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, রহিমা বেগম অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনের বিষয়ে আদালতে সিদ্ধান্ত হবে। এ ছাড়া রহিমার সঙ্গে ফরিদপুর থেকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া আরও তিনজনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে নিরপরাধ কাউকে এ ঘটনায় সম্পৃক্ত করা হবে না। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত আদালত থেকে হবে