Home Blog

পুলিশের পিটুনি;আলোচিত বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের কমিটি অবাঞ্ছিত ঘোষণা

গত ২৪ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ঘোষিত বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক। বরগুনায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় করা বিক্ষোভ সমাবেশে তারা এ ঘোষণা দেন৷

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের যে কমিটি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ঘোষণা করেছে তা সম্পূর্ণ নিয়মের বাইরে গিয়ে করা হয়েছে। যার কারণে ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা হতাশ। এজন্য বর্তমানে ছাত্রলীগের মধ্যে দুই গ্রুপ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এমন কাজের কারণেই ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

সম্প্রতি ঘোষণা করা কমিটি অবৈধ জানিয়ে সংসদ সদস্য আরও জানান, যারা এই অবৈধ কমিটিকে সমর্থন করে তাদেরও জেলা আওয়ামী লীগ প্রত্যাখ্যান করবে।

এ সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, আজ থেকে এই অবৈধ ছাত্রলীগ কমিটিকে বরগুনায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো।

গত ১৭ জুলাই বরগুনা শহরের সিরাজ উদ্দীন টাউন হল মিলনায়তনে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২৪ জুলাই রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেন।

এ সম্মেলনে রেজাউল কবির রেজাকে সভাপতি ও তৌশিকুর রহমান ইমরানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৩ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই ওই কমিটি প্রত্যাখ্যান করে পদবঞ্চিতরা প্রতিবাদ জানাতে থাকেন।

বিতর্কিত এ কমিটি নিয়ে সোমবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবসে বরগুনা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভায় ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত ও পদপ্রাপ্ত সমর্থকদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এসময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ছোড়া ইটের আঘাতে পুলিশের গাড়ির গ্লাস ভেঙে যায়। ঘটনাস্থলেই সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ভেঙে যাওয়া গ্লাসের ক্ষতিপূরণ ও অপরাধীর বিচারের কথা বলার পরেও তার সামনেই ছাত্রলীগ সদস্যদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহররম আলীর নেতৃত্বে লাঠি চার্জ করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই লাঠিচার্জে ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

ইসরায়েল নয়; ফিলিস্তিনের পরিচয়েই দেখতে হবে ফুটবল  বিশ্বকাপ

ফিফা বিশ্বকাপ কাতার ২০২২-এ ম্যাচের টিকিট এবং আতিথেয়তা প্যাকেজ বুক করার জন্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ইসরায়েলের পরিবর্তে ফিলিস্তিনকে একটি দেশ হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে। এর ফলে ইসরায়েলের পাসপোর্ট নিয়ে কেউ কাতারে বিশ্বকাপ দেখতে পারবেন না। ভ্রমণকালে তাদের ফিলিস্তিনের পাসপোর্ট প্রদর্শন করতে হব্র।

এর ব্যাতিক্রম ঘটলে, ইসরায়েল থেকে খেলা দেখতে কাতার যাওয়া ব্যক্তিরা ম্যাচ টিকিট ছাড়াও যেসব সুযোগ-সুবিধা অন্যরা পাবেন, ইসরায়েলিরা সেসব পাবেন না।

ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা WAFA জানায় আগের তালিকাটি “ফিলিস্তিন”-এ পরিবর্তিত হওয়ার আগে “ফিলিস্তিনি অঞ্চল, দখলকৃত” লেখা ছিল।

এদিকে আরব ফুটবল ভক্তরা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাচ্ছেন। ইসরায়েলের পরিবর্তে তালিকার একটি দেশ হিসাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একটি “সাহসী এবং সঠিক পদক্ষেপ” হিসাবে বর্ণনা করছেন অনেকেই।

এর আগে, ইসরায়েলি মিডিয়া প্রথম বুধবার এই বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ উত্থাপন করে। কারণ তালিকায় ইসরায়েলকে ইউরোপের জন্যও  তালিকাভুক্ত করা হয়নি।

‘উইন্টারহিল হসপিটালিটি’ নামে যে প্রতিষ্ঠান কাতার বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি করার দায়িত্ব পেয়েছে, সেখানেই উল্লেখ করা আছে বিষয়টি। যদিও সেটি ইসরায়েলি ভক্তরা শুরুতে খেয়াল করেননি বলে জানিয়েছে বেশ কিছু সংবাদ সংস্থা।

এমন খবরের পর বেশ সমালোচনার মুখেই পড়তে হয়েছে ফিফাকে। এ নিয়ে বেশ ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা যায় ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলোতে। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ইসরায়েলিরা।

ইসরায়েলিরা ক্ষোভে ফেটে পড়লেও মুসলিম বিশ্বের ফুটবল সমর্থকেরা এটাকে দেখছেন ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনের নীরব প্রতিবাদ হিসেবে।

ছাত্রলীগ পেটানো বরগুনার সেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্লোজড

বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সামনে জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পেটানোর অভিযোগে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলীকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাকে বরগুনার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে যুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১১ জনকে ক্লোজ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বরগুনার পুলিশ সুপার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনা তদন্তে বরিশাল ডিআইজি অফিস বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম তারেক রহমানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান তার নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, সা‌র্বিক দিক বি‌বেচনা ক‌রে ও তদ‌ন্তের স্বা‌র্থে মহরম আলীকে ব‌রিশা‌লে আমার কার্যাল‌য়ে নিযুক্ত করা হ‌য়ে‌ছে।

ডিআইজি বলেন, বরগুনার ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ও ঘটনায় পুলিশের পেশাদারিত্ব কতটা ছিল, ঘটনাস্থলে কি কি হয়েছে সব কিছুই তদন্ত করা হবে। ছাত্রলীগের দুটি ধারার এক পক্ষ পুলিশের প্রশংসা করেছে আরেক পক্ষ সমালোচনা করছে। তবে পুলিশ তার নিরপেক্ষ অবস্থান থেকেই সবকিছুর তদন্ত করবে।

জানা যায়, সোমবার জাতীয় শোক দিবসে বরগুনা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত শোক সভার অনুষ্ঠান চলছিল। জেলা ছাত্রলীগের নবাগত কমিটির একাংশ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে ফেরার পথে শিল্পকলা একাডেমির তৃতীয় তলা থেকে কে বা কারা ইটপাটকেল ছুড়ে। এতে পুলিশের গাড়ির একটি গ্লাস ফেটে যায়। মুহূর্তের মধ্যে দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ শিল্পকলা একাডেমিতে প্রবেশ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে পেটাতে থাকে।

সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু তখন শিল্পকলা একাডেমির হল রুমে বসা ছিলেন। তাৎক্ষণিক তিনি বের হয়ে মহরম আলীকে ছাত্রলীগ নেতাদের পেটাতে নিষেধ করেন। এমনকি তিনি মহরমের হাত ধরে বলেন, যে ছেলেটি ইট ছুড়েছে তাকে আমি আপনাদের কাছে সোপর্দ করব। এতে মহরম আরও ক্ষিপ্ত ও উত্তেজিত হয়ে সংসদ সদস্যের সঙ্গে বাম হাত তুলে অশোভন আচরণ করেন।

ছাত্রলীগ নেতা জসিম মোল্লা ও স্বাধীন প্রতিবাদ করলে এমপির সামনেই তাদের পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ধরে নিয়ে যায়। এতে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একাংশ মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

এদিকে পুলিশ সুপারের এমন আচরণ নিয়ে সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, মহরম আলী সোমবার ছাত্রলীগের ছোট ছোট বাচ্চাদের যেভাবে নির্যাতন করেছেন, তাতে ক্লোজ করলেই বিচার শেষ হয়ে যাবে না। বাচ্চাদের কেন অকারণে পেটাল তার জন্য মহরমের শাস্তির আওতায় আসতে হবে। দেশের মানুষ জানবে অপরাধ করলে যে কোনো পেশার লোক শাস্তি পায়।

বরগুনার পৌর মেয়র কামরুল আহসান মহারাজ বলেন, সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী একজন এমপির সঙ্গে যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন, তাতে আমি অবাক হয়েছি।

তেলের দাম বাড়ানোর ফলে নিত্যপণ্যের দামও বেড়ে গেছে, মানুষের কষ্ট হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার নিম্নবিত্ত ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার লক্ষে বেশকিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এ সময় তিনি সকলকে সতর্ক করে বলেন, দেশ যখন এগিয়ে যায় এবং সাধারণ মানুষ একটু ভাল থাকতে শুরু করে তখনই দেশে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত শুরু হয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে সেগুলোকে সহনীয় পর্যায়ে কীভাবে নিয়ে আসতে পারি সেই ব্যবস্থা আমাদের নেয়া একান্তভাবে জরুরি বলে আমি মনে করি। কারণ, মানুষের জন্যেই তো রাজনীতি করি। মানুষ কষ্ট পেলে আমারও কষ্ট হয়।’

সরকার প্রধান আজ সকালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভার প্রারম্ভিক ভাষণে এ কথা বলেন।

তিনি গণভবন থেকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি যে তেলের দাম বাড়ানোর ফলে আমাদের নিত্যপণ্যের দামও বেড়ে গেছে। মানুষের কষ্ট হচ্ছে। যারা নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত বা ফিক্সড ইনকাম যাদের, নির্দিষ্ট আয়ে যাদের চলতে হয় তাদের খুবই কষ্ট হচ্ছে। এটা আমরা উপলব্ধি করতে পারি।

সাধারণের কষ্ট লাঘবে ১৫ টাকা কেজিতে ৫০ লাখ মানুষকে চাল কেনার সুবিধার পাশাপাশি প্রায় এক কোটি ‘বিশেষ পারিবারিক কার্ড’ দিয়ে ন্যায্যমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে তাঁর সরকারের উদ্যোগও তুলে ধরেন সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এ ধরনের আরো কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, সাধারণ মানুষগুলো কষ্ট না পায়।’

বঙ্গবন্ধুকে জাহান্নামে রাখার জন্য দোয়া; প্রতিমন্ত্রী বললেন ‘স্লিপ অভ টাং’

0

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত দলীয় অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের বক্তব্যের একটি অংশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বক্তব্যের এক পর্যায়ে জাতির জনককে জাহান্নামের ভালো স্থানে রাখার জন্য দোয়া চেয়ে বসেন প্রতিমন্ত্রী।

তবে পরক্ষণেই নিজেকে শুধরে নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলছেন, এটা স্লিপ অব টাঙ। তিনি পরক্ষণেই দুঃখ প্রকাশ করে তার বক্তব্য সংশোধন করেন।

ঘটনার সূত্রপাত গতকাল সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে। কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যের একপর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী ‘ভুলবশত’ বলেন, ‘আমরা মন থেকে তার জন্য দোয়া করব, বঙ্গবন্ধুকে আল্লাহ যেন জাহান্নামের ভালো জায়গায় স্থান করে দেয়’।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভুলবশত তার মুখ থেকে এমন বাক্য বের হয়েছিল। তিনি তৎক্ষণাৎ তা বুঝতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বক্তব্য সংশোধন করে বঙ্গবন্ধুকে জান্নাত দানের দোয়া করেছেন।

যোগাযোগ করা হলে প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, ‘ওটা স্লিপ অব টাঙ। আমি আজ তিন উপজেলায় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছি। ক্লান্তি ছিল, অনিচ্ছাকৃত ভাবে জান্নাত শব্দের স্থলে জাহান্নাম বলে ফেলেছি। সঙ্গে সঙ্গে সরি বলে বক্তব্য ঠিক করেছি। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুযোগ নেই’।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বলছেন, মন্ত্রী ভুলবশত মুখ ফসকে জাহান্নাম বললেও তিনি পরক্ষণে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে তা সংশোধন করে বক্তব্য ঠিক করেছেন। কিন্তু একটি পক্ষ তার বক্তব্যের ভুল অংশটুকু কেটে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পুরো ভিডিও প্রকাশ করলে বিষয়টি পরিষ্কার হতো। ‘

এ বিষয়ে রাজীবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘বিষয়টি আসলেই স্লিপ অব টাং হয়েছে। তিনি পরক্ষণেই সংশোধিত বক্তব্য দিয়েছেন’।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের (রৌমারী-রাজীবপুর ও চিলমারী) সংসদ সদস্য। তিনি রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

সব ধরণের ফুটবল থেকে ভারতকে নিষিদ্ধ করলো ফিফা

স্বাধীনতা দিবসের পরের দিন-ই দুঃসংবাদ পেল ভারত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরণের ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ফুটবলীয় কার্যক্রমে তৃতীয় পক্ষের প্রভাব খাটানোর অভিযোগে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) কে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এর আগে একই অভিযোগে পাকিস্তানের ফুটবলও নিষেধাজ্ঞার মুখে ছিলো।

আজ মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে নিষেধাজ্ঞার খবর জানিয়েছে ফিফা। বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, ‘ব্যুরো অব ফিফা কাউন্সিল সর্বসম্মতভাবে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনকে (এআইএফএফ) নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ এই সংস্থায় তৃতীয় পক্ষের অনুচিত প্রভাবের ফলে ফিফা সনদের পরিস্কার লঙ্ঘন হয়েছে।’

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো থেকে জানা যায়, এআইএফএফের সাবেক সভাপতি প্রফুল প্যাটেলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের (সিওএ) দ্বারা সংস্থাটি পরিচালিত হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট এআইএফএফকে জাতীয় ফেডারেশনের নির্বাচনেরও নির্দেশ দিয়েছিল। ফুটবল ফেডারেশনের ওপর আদালতের এই খরবদারি সবসময়ই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা আদালতের খবরদারিকে তাদের সনদের পরিস্কার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছিলো।

এসব ইস্যুতেই চলতি মাসের শুরুর দিকে বিষয়টি নিয়ে কড়া ভাষায় এআইএফএফকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছিল ফিফা। তবে এরপরও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে না পারায় নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হল দেশটিকে।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আগামী অক্টোবরে ভারতে অনুষ্ঠেয় অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপও আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। শিগগিরই এই টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ফিফা।

তবে নিষেধাজ্ঞার বিবৃতিতে এই মুক্তির পথও বাতলে দিয়েছে ফিফা। জানিয়েছে, ‘এআইএফএফের দৈনন্দিন কার্যক্রমের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটির প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনতে একটি প্রশাসনিক কমিটি গঠন করতে হবে। এআইএফএফের বর্তমান নির্বাহী কমিটির সব ক্ষমতা সেই প্রশাসনিক কমিটিকে দিতে হবে।’

কলেজশিক্ষিকার মৃত্যু; যা জানা গেলো ময়নাতদন্তে

নাটোরের আলোচিত কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শ্বাসরোধ হওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। এদিকে খায়রুন নাহারের মৃত্যুর ঘটনায় আটক তার স্বামী মামুন হোসেনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নাটোর সদর হাসপাতালের তিন সদস্যের একটি চিকিৎসক দল ওই কলেজশিক্ষিকার ময়নাতদন্ত করেন।

নাটোর সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. পরিতোষ রায় বলেন, ‘ময়নাতদন্তে কলেজশিক্ষকার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে শ্বাসরোধ হওয়ার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে। আলামত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ভিসেরা রিপোর্ট আসলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।’

এদিকে সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে তার স্বামী মামুন হোসেনকে আদালতে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি আদালতের হাজতখানায় আছেন বলে জানিয়েছেন নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ।

নাটোরের পুলিশ সুপার (এসপি) লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারকে হত্যা করা হয়েছে নাকি তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও আমাদের হাতে আসেনি। তাই ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তার স্বামী মামুন হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৩ আগস্ট) গভীর রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজশিক্ষিকা আত্মহত্যা করেন বলে দাবি করেন মামুন। পরে রবিবার(১৪ আগস্ট) সকালে নাটোর শহরের বালারিপাড়া এলাকার হাজী নান্নু মোল্লা ম্যানশনের চারতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।

খায়রুন নাহার নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। মাত্র আট মাস আগে কলেজছাত্র মামুনকে বিয়ে করেছিলেন খায়রুন নাহার।

আলোচিত সেই শিক্ষকের স্বামী মামুন ৫৪ ধারায় গ্রেফতার

নাটোরের আলোচিত কলেজশিক্ষকা খায়রুন নাহারের মৃত্যুর ঘটনায় আটক তার স্বামী মামুন হোসেনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে তাকে আদালতে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি আদালতের হাজতখানায় আছেন বলে জানিয়েছেন নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ।

নাটোরের পুলিশ সুপার (এসপি) লিটন কুমার সাহা বলেন, ‘কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারকে হত্যা করা হয়েছে নাকি তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও আমাদের হাতে আসেনি। তাই ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তার স্বামী মামুন হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, আমরা আদালতের কাছে আবেদন করব- তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মামুনকে হেফাজতে রাখার। আদালত যেটা ভালো মনে করবেন সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত জানাবেন।

এর আগে রবিবার (১৪ আগস্ট) রাতে খায়রুন নাহারের মৃত্যুর ঘটনায় তার চাচাতো ভাই সাবের উদ্দিন বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন। মামলায় কাউকে অভিযুক্ত করা হয়নি।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৩ আগস্ট) গভীর রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজশিক্ষিকা আত্মহত্যা করেন বলে দাবি করেন মামুন। পরে রবিবার(১৪ আগস্ট) সকালে নাটোর শহরের বালারিপাড়া এলাকার হাজী নান্নু মোল্লা ম্যানশনের চারতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।

খায়রুন নাহার নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। মাত্র আট মাস আগে কলেজছাত্র মামুনকে বিয়ে করেছিলেন খায়রুন নাহার।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক: সোহেল তাজ

বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় চার নেতার অন্যতম, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ বলেছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক। আমি আওয়ামী লীগে ছিলাম, আছি ও থাকব। 

সোমবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রাজনীতিতে ফিরছেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে সোহেল তাজ বলেন, ‘আসলে আমি তো রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার পিতা শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমার মা ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছিলেন। আমাদের রক্তের ভেতরে আওয়ামী লীগ।’ তিনি বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগে ছিলাম, আছি এবং থাকব। বরাবরই বলে এসেছি, আমাকে যদি প্রয়োজন হয়, আমার যদি ডাক পড়ে, আমি সাড়া দেব। আমি আবার রাজপথে থাকব। ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত-জোট সরকারের সময় যেমন ছিলাম, ঠিক সেভাবেই থাকব। আমি সে অবস্থানেই আছি।’

১৫ আগস্টের বিষয়ে সোহেল তাজ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের প্রতি যে অবদান সেটি সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। আমাদের সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হবে। সোনার বাংলা গড়তে হলে আমাদেরকে সোনার মানুষ তৈরি করতে হবে। কারণ,একটা দেশের উন্নতি, ভবিষ্যৎ সেই দেশের জনগণ তৈরি করে।’ 

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের সেই সোনার মানুষ, ভালো মানুষ তৈরি করতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। শোকাহত এই দিনে আমাদের সবারই শপথ নেওয়া উচিত, নিজেদের ভালো মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’

সোহেল তাজ বলেন, আমি মনে করি যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বব্যাপী জঘন্যতম একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের এমন একটি দেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন-যেখানে আমরা সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করতে পারব, যেখানে ন্যায় বিচার থাকবে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা আমাদের বুকে একটি ছুরিকাঘাত। আমি মনে করি আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে তার অবদান, জাতীয় ৪ নেতার অবদান তুলে ধরতে হবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনী, যাদের নিয়ে তিনি সংগ্রাম করেছেন সেটাই হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যতের চালিকাশক্তি।

তিনি বলেন, জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর ৩ নভেম্বর চার নেতাকে যখন হত্যা করা হয় তখন দেশে গণতন্ত্র বলে কিছু ছিলনা। সে সময় আমার মা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের ভূমিকা নিয়ে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে শেখ হাসিনা ফিরে এসে আমাদের নেতৃত্ব দেন।

এর আগে সোহেল তাজ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এবং তার মা বেগম জোহরা তাজউদ্দিনের কবর জিয়ারত করেন ও ফুল ছিটিয়ে দেন।

রবীন্দ্রনাথ ও জাতীয় সংগীত নিয়ে অশালীন মন্তব্য,নোবেলকে আইনি নোটিশ

0

সংগীতশিল্পী মইনুল আহসান নোবেল
জাতীয় সংগীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় তাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন চট্টগ্রামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিঠুন বিশ্বাস। নোটিশে তার পেজ থেকে স্ট্যাটাস দুটি অপসারণ ও অপরাধ স্বীকার করে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

রবিবার (১৪ আগস্ট) মইনুল আহসান নোবেলের ঢাকার ডেমরার ঠিকানায় উকিল নোটিশটি পাঠানো হয়। গত ১০ ও ১১ আগস্ট নিজের ফেসবুক থেকে সংগীতশিল্পী নোবেল স্ট্যাটাস দুটি পোস্ট করেন। এরপরই তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হলো।

আইনি নোটিশে অনুযায়ী, সংগীতশিল্পী মইনুল আহসান নোবেল গত ১০ ও ১১ আগস্ট নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ‘আসুন! রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলা পরিত্যাগ করে আমার সোনার বাংলাকে ভালোবাসি। ভারতের চাটুকারিতা করতে করতে এখন নিজেকে গো-মূত্র সেবনকারী মনে হয়। ইয়াক থু!!’ এবং ১০ আগস্ট ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার রাবীন্দ্রিক সাহিত্যচর্চা অবিলম্বে বাংলাদেশ থেকে বয়কট করা হউক। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল! বিদ্রোহী কবি; যখন আমাদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ছিলেন। রোজ রোজ ব্রিটিশদের কাছে কারাবন্দি হতেন, কনডেম সেলে টর্চারের শিকার হচ্ছিলেন, তখন ব্রিটিশদের চাটুকারিতা করে সো-কল্ড বিশ্বকবি বিন্দাস আমাদের বাপ-দাদার রক্ত চুষে খাচ্ছিল,’ এই দুটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন।

সংগীত শিল্পী নোবেল ওই স্ট্যাটাস দুটিতে  বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটির বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে কুৎসা, বিদ্বেষ প্রচার করেছেন। এছাড়া গানটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অন্যায়ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করেছেন।

লিগ্যাল নোটিশে আরও বলা হয়, আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি শুধু আমাদের জাতীয় সংগীত নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসারও এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। জাতীয় সংগীত বলেই এর মর্যাদাও সর্বোচ্চ। সে কারণে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সংবিধান দ্বারা সংরক্ষিত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটির বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রোপাগান্ডা ও প্রচারণা চালানো বা মদদ প্রদান করাকে দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

এ নোটিশে বলা হয়েছে, নোবেলের ফেসবুক পেজে প্রচারিত স্ট্যাটাস দুটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে মনগড়া, ভিত্তিহীন, কাল্পনিক, মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক আপত্তিকর মন্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের বিরুদ্ধাচার এবং এর রচয়িতা বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি, সাহিত্যিক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানিকর, বিদ্বেষ মূলক অপপ্রচারের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে আঘাত করেছেন। যা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ওই নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজ নামের পেজে প্রচারিত উল্লেখিত বিদ্বেষমূলক, মিথ্যা, মানহানিকর স্ট্যাটাস দুটি অপসারণ করে নিজের কৃত অপরাধ স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন, জানানো হয় সেই নোটিশে। 

অন্যথায় নোবেলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের বিরুদ্ধাচার ও এর রচয়িতা বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্বেষমূলক, মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ, বানোয়াট, মানহানিকর বক্তব্য ডিজিটাল মাধ্যম তথা নিজের ফেসবুক পেজে প্রচারের অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় যথাযথ আদালতে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।