বন্ধ রাখতে হবে মসজিদের এসি

0
140

বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতিটি মসজিদের এসি বন্ধ এবং দোকানপাট ও মার্কেট রাত ৮টার পর বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।এ সময় সরকারি অফিসের সভাগুলো অনলাইনে পরিচালনা করতে হবে।

সোমবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

 
এছাড়া সিএনজি পাম্পগুলো সপ্তাহে একদিন বন্ধ রাখা হবে। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।

সরকার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ‘বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে’ সপ্তাহে একদিন এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। যা আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) থেকে শুরু হবে। এছাড়াও ডিজেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সপ্তাহে একদিন বন্ধ থাকবে পেট্রোল পাম্প।

বৈঠক শেষে এসব কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী। মঙ্গলবার থেকে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত সাময়িক। বিশ্ব পরিস্থিতির উত্তরণ হলে আগের অবস্থানে ফিরে আসা হবে।ডিজেলে দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথাও জানান জ্বালানি উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, করোনার অভিঘাতের পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিষয়টি নিয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে বিদ্যুতের যে চাহিদা রয়েছে, উৎপাদন হচ্ছে তার চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ কম, যা লোড ব্যবস্থাপনার (লোডশেডিং) মাধ্যমে সমন্বয় করতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশে একদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে বন্ধ রাখা হবে সেটা পরে জানানো হবে। বন্দর এলাকাতে সপ্তাহে দুদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি-বেসরকারি অফিস ভার্চুয়ালি করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।

সরকারি অফিসগুলোতে কীভাবে সময় কমিয়ে আনা যায় সেটাও ভাবা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস। বৈঠকে জানানো হয়, সরকারি অফিসগুলো ভার্চুয়ালি পরিচালনার ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সমন্বয় করবে। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন।

বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতিটি মসজিদের এসি বন্ধ এবং দোকানপাট ও মার্কেট রাত ৮টার পর বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।এ সময় সরকারি অফিসের সভাগুলো অনলাইনে পরিচালনা করতে হবে।

সোমবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

 
এছাড়া সিএনজি পাম্পগুলো সপ্তাহে একদিন বন্ধ রাখা হবে। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।

সরকার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ‘বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে’ সপ্তাহে একদিন এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। যা আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) থেকে শুরু হবে। এছাড়াও ডিজেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সপ্তাহে একদিন বন্ধ থাকবে পেট্রোল পাম্প।

বৈঠক শেষে এসব কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী। মঙ্গলবার থেকে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত সাময়িক। বিশ্ব পরিস্থিতির উত্তরণ হলে আগের অবস্থানে ফিরে আসা হবে।ডিজেলে দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথাও জানান জ্বালানি উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, করোনার অভিঘাতের পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিষয়টি নিয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে বিদ্যুতের যে চাহিদা রয়েছে, উৎপাদন হচ্ছে তার চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ কম, যা লোড ব্যবস্থাপনার (লোডশেডিং) মাধ্যমে সমন্বয় করতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশে একদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে বন্ধ রাখা হবে সেটা পরে জানানো হবে। বন্দর এলাকাতে সপ্তাহে দুদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি-বেসরকারি অফিস ভার্চুয়ালি করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।

সরকারি অফিসগুলোতে কীভাবে সময় কমিয়ে আনা যায় সেটাও ভাবা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস। বৈঠকে জানানো হয়, সরকারি অফিসগুলো ভার্চুয়ালি পরিচালনার ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সমন্বয় করবে। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here