বিতর্কিত রায়ে হাতছাড়া পাঞ্জাব; যা বললেন ইমরান খান

0
175

উপনির্বাচনে বিপুল জয়ের পরেও আইনসভার ডেপুটি স্পিকারের বিতর্কিত রায়ে পাঞ্জাব প্রদেশের ক্ষমতা দখল করতে পারেনি ইমরান খান। এই পরিস্থিতিতে আবারো ক্ষমতাসীন ‘পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির জোটের বিরুদ্ধে কড়া অভিযোগ এনেছেন তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর সভাপতি ইমরান।

এক টুইটবার্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান লিখেছেন, ‘মাত্র ৩ মাসের মধ্যে জারদারি-শরিফের মাফিয়ারা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে দেশকে দেউলিয়া করে ফেলেছে। তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য, ৩০ বছর ধরে তাঁরা দেশকে লুট করে জমানো সম্পদ রক্ষা করা। আমার প্রশ্ন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির কত দিন ধরে এমন কাজ বরদাস্ত করবে।’

এর আগে, গত শুক্রবার পাঞ্জাবের প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন পিটিআই-এর প্রার্থী চৌধুরী পারভেজ ইলাহি। কিন্তু ডেপুটি স্পিকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হন পিএমএল(এন)-পিপিপি জোটের প্রার্থী তথা শাহবাজ-পুত্র হামজা শরিফ।

৩৭১ সদস্যে পাঞ্জাব প্রাদেশিক আইনসভায় প্রধানমন্ত্রীর পুত্র হামজা পেয়েছিলেন ১৭৯টি ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ইলাহি ১৮৬টি। কিন্তু আইনসভার ডেপুটি স্পিকার দোস্ত মাজারি ‘পাকিস্তান মুসলিম লিগ কায়েদ-ই-আজম (পিএমএল-কিউ)-এর ১০ সদস্যের ভোট নাকচ করে দেন। ফলে ৩ ভোটে জয়ী হন হামজা। মাজারির দাবি, প্রাক্তন সেনাশাসক পারভেজ মুশারফ প্রতিষ্ঠিত দল পিএমএল(কিউ)-এর ১০ অ্যাসেম্বলি সদস্যের সকলেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ উপেক্ষা করে পিপিপি প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। তাই তাদের ভোট বাতিল করা হয়েছে।

যদিও ইমরানের অভিযোগ, পাক সংবিধান অনুযায়ী পরিষদীয় দলের সিদ্ধান্তে ‘বহিরাগতদের হস্তক্ষেপ’ গ্রহণযোগ্য নয়। এ ক্ষেত্রে আইন মানেননি ডেপুটি স্পিকার। এই পরিস্থিতিতে পিটিআই সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ ভাবে বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ দিয়ে শনিবার তিনি বলেছেন, ‘‘আমরা আদালতে ডেপুটি স্পিকারের অসাংবিধানিক সিদ্ধান্তকে আইনগত ভাবে চ্যালেঞ্জ জানাব।’’

উল্লেখ্য, পাঞ্জাবের আইনসভার ২০টি আসনের সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে ১৫টিতেই জয় পেয়েছিল ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। সেখানে পাকিস্তান এবং পাক পঞ্জাবের শাসকদল ‘পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ)’ বা পিএমএল(এন) জয় পায় মাত্র ৪ আসনে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here