রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করতে চেয়েছিলাম, পারিনি: আমু

0
341

বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের সময় রাষ্ট্রধর্ম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে দু-একজনের আপত্তির কারণে তা করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু। 

শনিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির এক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।

 আমির হোসেন আমু বলেন, ‘সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর সময় রাষ্ট্রীয় ধর্ম বাতিল করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ২-১ জন সদস্য ভেটো দেওয়ায় তা করা সম্ভব হয়নি।’

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের পর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনে ২০১০ সালে যে বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমন্বয়ক ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে চেয়ারম্যান, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে কো-চেয়ারম্যান করে গঠিত ওই কমিটিতে ১৪ দলের নেতাদের বাইরে কেবল সদস্য ছিলেন জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। এছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুও এই কমিটির সদস্য ছিলেন।

আমু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সুবিধাভোগী কারা ছিল? যারা ষড়যন্ত্র করেছে? জিয়া, মোশতাক জাতীয় পার্টির কাজ সেটা পরিষ্কার করে দেয়। সেই ষড়যন্ত্র এখনও আছে। কেননা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করেছে।’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে আমু বলেন, ‘ওই সময় আমাদের নেতৃত্ব কেন ঘোষণা দিতে পারল না, সে কথা আজকে বলতে চাই না।’ 

আমু বলেন, ‘একটা তদন্ত কমিশন সময়ের দাবি। দুই বছর আগেও আমরা বলেছি। একটা বিচার বিভাগ হোক বা গণকমিশন হোক, সেটা গঠন করে তদন্ত করে নেপথ্যের নায়কদের খুঁজে বের করা হোক।’

অনুষ্ঠানে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ছিল নিছক কোনো ব্যক্তির হত্যা নয়। বাংলাদেশকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র। সেই কাজ জিয়াউর রহমান এবং এরশাদরা পরিকল্পিতভাবে করেছেন। সংবিধানে এখনও সাম্প্রদায়িকতা-সামরিক সরকারের ক্ষত আছে। এগুলো ধীরে ধীরে দূর করতে হবে।’

শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আশপাশে যারা ছিলেন, ডিজিএফআই, এনএসআই, এসবি তাদের প্রধানরা সেই সময় কোথায় ছিলেন?’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here