স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতিকে কোপাল ছাত্রলীগ নেতারা

0
117

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খানকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। 

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টার দিকে আমতলী পৌর শহরের আল হেলাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটেছে।

আহতকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে মোয়াজ্জেম হোসেন খান আল হেলাল মোড়ে যায়। ওই স্থানে পৌঁছা মাত্রই উপজেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি সবুজ ম্যালাকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইফতেখার আহম্মেদ তোহা, ছাত্রলীগ সদস্য শাহাবুদ্দিন সিহাব, রুহুল আমিন স্বেচ্ছসেবক লীগ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন খানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। তাকে কুপিয়ে সড়কে ফেলে রেখে যায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পৌর শহরের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। 

সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতিকে কুপিয়ে গুরুতর জখমের খবর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে আমতলী চৌরাস্তায় বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধ করে। এ সময় আমতলী চৌরাস্তায় শতাধিক পরিবহন আটকে পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। 

পরে ওসি এ কে এম মিজানুর রহমানের আশ্বাসে আধা ঘণ্টা পরে সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেয় অবরোধকারীরা।

আহত মোয়াজ্জেম খান বলেন, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের ছেলে তোফাজ্জেল হোসেন তপুর নেতৃত্বে সবুজ ম্যালাকার, মো. ইফতেখার আহম্মেদ তোহা, শাহাবুদ্দিন সিহার, সুমন প্যাদা, রাকিব প্যাদা ও রুহুলআমিনসহ ১২-১৫ জন সন্ত্রাসী আমাকে কুপিয়েছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুমন খন্দকার বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মোয়াজ্জেম খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) রনজিৎ কুমার সরকার বলেন, অবরোধকারীরা সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নিযেছে। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here