Home Blog Page 3

কাবুলে নারীদের বিক্ষোভে তালেবানের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া, লাটিপেটা ও ফাঁকা গুলির অভিযোগ

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে
নারীদের বিক্ষোভ দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন তালেবান যোদ্ধারা। বিক্ষোভকারী নারীদের ছত্রভঙ্গ করতে মারধর, লাঠিপেটা ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। আজ শনিবার তালেবানের ক্ষমতায় ফেরার প্রথম বর্ষপূর্তির কয়েক দিন আগে এক বিক্ষোভে এমনটা ঘটে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এমনটা উঠে এসেছে। 

গত বছরের ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের  ক্ষমতায় তালেবান সরকার দখলের পর নারীদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের খবরে উঠে আসে। 

কাবুলের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে প্রায় ৪০ নারী অংশ নেন। তাঁদেরকে ‘রুটি, রুজি ও স্বাধীনতা’ শব্দে স্লোগান দিতে শোনা যায়।

এরপরই ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। গুলির পর কয়েকজন নারী দৌড়ে পার্শ্ববর্তী দোকানে আশ্রয় নিলে তাঁদের ধাওয়া করে বন্দুকের বাঁট দিয়ে তালেবান যোদ্ধারা আঘাত করেন বলে জানা গেছে। 

বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল ‘১৫ আগস্ট কালো দিন’। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নারীরা কাজ করার ও রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অধিকারের দাবি জানান। তাঁরা ‘ন্যায়বিচার চাই/অবহেলায় আমরা ক্ষুব্ধ’ প্রভৃতি স্লোগান দেন। এ সময় অনেক বিক্ষোভকারীই নিকাব পরিহিত ছিলেন না।

আফগানিস্তান গত কয়েক মাসের মধ্যে নারীদের প্রথম কোনো বড় রকমের বিক্ষোভ ছিল এটি। অভিযোগ উঠেছে এই কর্মসূচির খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদেরও মারধর করা হয়েছে৷

আফগান মসনদে তালেবান আসীন হওয়ার পর কঠোর ইসলামিক বিধিবিধানের শিথিল ধারা মেনে চলার অঙ্গীকার করেছিল। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবান সরকারের ক্ষমতাসীন সময়ে কঠোর শরিয়াহ আইন অনুসরণ করেছিল। আগের আমলের অনেক বিধিনিষেধ আবার আরোপ করেছে তালেবান। হাজারো কিশোরীর মাধ্যমিক স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তালেবান সরকার। অনেক সরকারি চাকরিতে নারীদের ফিরতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘ সফরে নারীদের একা ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাঁরা কেবল পুরুষদের থেকে পৃথক দিনে রাজধানীর বাগান ও পার্কগুলোতে বেড়াতে যেতে পারেন।

আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা ও তালেবানপ্রধান হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা গত মে মাসে দেশটির যেকোনো জনসমাগমস্থলে নারীদের বোরকা পরিধান করে চলাফেরা করার নির্দেশ দেন।

তহশিলদার-ইউপি সচিবরা শক্তিশালী ও দুর্নীতিবাজ: পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি বাড়াতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, কৃষি কর্মকর্তা, তহশিলদার ও ইউপি সচিবদের দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। তহশিলদার ও ইউপি সচিবরা মোস্ট পাওয়ারফুল অ্যান্ড করাপটেড।

শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে ‘জাতীয় উন্নয়নে অঙ্গীকার: শিক্ষা, মানসম্মত কর্মসংস্থান, জেন্ডার সমতা’ শীর্ষক এক নাগরিক সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়নোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায় থেকে এ বিষয়ে নজর দিতে হবে। এরা অনেক বেশি ক্ষমতাবান। এ কারণে প্রান্তিক মানুষেরা নায্য সেবা পায় না। এরা প্রান্তিক মানুষদের নিয়ে কাজ করে। অথচ দেখবেন এই তহশিলদার ও ইউপি সদস্যরা ভালো পরিবেশে থাকে, সকালে ভালো যানবাহনে চড়ে অফিসে আসে।

বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতি তুলে ধরে এম এ মান্নান বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক সংকট চলছে। বিশ্ব এখন টালমাটাল। সেই ঢেউ কিন্তু আমাদের তরীতেও লেগেছে। আমাদের সরকারপ্রধান সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা করছেন। তাই সবাই আমরা ব্যয় সংকোচন করছি, মিতব্যয়িতা অবলম্বন করছি।

আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার ইশতেহার বাস্তবায়ন করছে। তবে গ্রাম ও শহরের মানুষের চাওয়া-পাওয়া এক নয়। গ্রামের মানুষ নানা ভাতার কার্ড, পানি, স্যানিটেশন, সেতু ও সড়ক চায়। উন্নয়নের জন্য দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ প্রয়োজন। এজন্য শোভন রাজনীতি প্রয়োজন। কেবল শোভন কর্মসংস্থান দিয়েই উন্নয়ন হবে না। দেশের ভোটাররা স্থিতিশীল পরিবেশ ও কর্মসংস্থান চায়। বর্তমান সরকার তা-ই করছে।

এম এ মান্নান বলেন, আমি কিন্তু পিছিয়ে পড়া পরিবারের মানুষ। সুতরাং তাদের দুঃখ-কষ্ট আমি বুঝি। তাই সময় পেলেই নাড়ির টানে গ্রামে যাই। গ্রামের মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ করি। আওয়ামী লীগের কিছু জাতীয় ইশতেহার থাকে, আমরা যারা ভোটে দাঁড়াই তাদেরও কিছু ইশতেহার থাকে। গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন অবস্থা দেখেই আমরা নিজস্ব কিছু ইশতেহার দিয়ে থাকি।

নাগরিক সম্মেলনে আরও অংশ নেন, সংসদ সদস্য আরমা দত্ত, স্থানীয় শাসন বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম ও নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশী কবির প্রমুখ।

রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করতে চেয়েছিলাম, পারিনি: আমু

বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের সময় রাষ্ট্রধর্ম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে দু-একজনের আপত্তির কারণে তা করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু। 

শনিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির এক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।

 আমির হোসেন আমু বলেন, ‘সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর সময় রাষ্ট্রীয় ধর্ম বাতিল করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ২-১ জন সদস্য ভেটো দেওয়ায় তা করা সম্ভব হয়নি।’

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের পর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনে ২০১০ সালে যে বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমন্বয়ক ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে চেয়ারম্যান, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে কো-চেয়ারম্যান করে গঠিত ওই কমিটিতে ১৪ দলের নেতাদের বাইরে কেবল সদস্য ছিলেন জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। এছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুও এই কমিটির সদস্য ছিলেন।

আমু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সুবিধাভোগী কারা ছিল? যারা ষড়যন্ত্র করেছে? জিয়া, মোশতাক জাতীয় পার্টির কাজ সেটা পরিষ্কার করে দেয়। সেই ষড়যন্ত্র এখনও আছে। কেননা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করেছে।’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে আমু বলেন, ‘ওই সময় আমাদের নেতৃত্ব কেন ঘোষণা দিতে পারল না, সে কথা আজকে বলতে চাই না।’ 

আমু বলেন, ‘একটা তদন্ত কমিশন সময়ের দাবি। দুই বছর আগেও আমরা বলেছি। একটা বিচার বিভাগ হোক বা গণকমিশন হোক, সেটা গঠন করে তদন্ত করে নেপথ্যের নায়কদের খুঁজে বের করা হোক।’

অনুষ্ঠানে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ছিল নিছক কোনো ব্যক্তির হত্যা নয়। বাংলাদেশকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র। সেই কাজ জিয়াউর রহমান এবং এরশাদরা পরিকল্পিতভাবে করেছেন। সংবিধানে এখনও সাম্প্রদায়িকতা-সামরিক সরকারের ক্ষত আছে। এগুলো ধীরে ধীরে দূর করতে হবে।’

শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আশপাশে যারা ছিলেন, ডিজিএফআই, এনএসআই, এসবি তাদের প্রধানরা সেই সময় কোথায় ছিলেন?’

শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র-মাদক দেন জিয়া, শেখ হাসিনা খাতা-কলম: জয়

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, জিয়াউর রহমান তার অবৈধ ক্ষমতাকে দখলে রাখার জন্য একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র-মাদক তুলে দেন। অন্যদিকে শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের মাঝে, ছাত্রলীগের কর্মীদের হাতে বই-খাতা-কলম তুলে দিয়েছেন।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের মাঠে হল শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত শোক দিবসের এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আল নাহিয়ান খান জয় অভিযোগ করে বলেন, ওই খুনি জিয়ার হাত ধরে ধারাবাহিকভাবে তারই স্ত্রী খালেদা জিয়া একই পথে হেঁটেছেন। জিয়া জাতির পিতাকে হত্যার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করেছেন আর পরবর্তীতে তার স্ত্রী ও ছেলে শেখ হাসিনাকে বারবার হত্যা চেষ্টা করেছেন।

হল ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন রানার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, প্রধান আলোচক আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিশেষ আলোচক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম উপস্থিত ছিলেন। 

জয় বলেন, আমরা সবাই জানি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকান্ডের প্রধান মাস্টারমাইন্ড ছিল জিয়াউর রহমান। এই খুনি জিয়া শুধু জাতির পিতাকে হত্যারই মাস্টারমাইন্ড ছিল না বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যকে হত্যার প্রধান মাস্টারমাইন্ড ছিলেন। আল্লাহর অশেষ রহমতে সেদিন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে গিয়েছিলেন।

আ.লীগ সরকারকে হটাতে সব দলকে এক হতে হবে: মান্না

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে হলে সব দলকে এক হয়ে আন্দোলন করতে হবে। যে যার মতো করে আন্দোলন করলে এই সরকারের কিছুই করতে পারব না। তবে সরকারের অবস্থা খুব ভয়াবহ। ভালো করে একটা ধাক্কা দিতে পারলে সরকারের মসনদ জ্বালিয়ে দেওয়া যাবে।

শুক্রবার(১২ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আয়োজিত ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বহুমাত্রিক প্রভাব ও বাংলাদেশের গন্তব্য কোন পথে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা জানান। 

নাগরিক ঐক্যের এই নেতা বলেন, আজ দেশের লোডশেডিং সংকট, পেট্রোল, অকটেনের মূল্যবৃদ্ধি, জিনিসপত্রের দাম লাগামহীন। দেশে এখন মধ্যবিত্ত নেই। মধ্যবিত্তের একটা অসুখ হলে টাকার জন্য তারা চিকিৎসা নিতে পারবে না। সবই গরিব হয়ে গেছে।

দেশের অর্থনীতির খারাপ অবস্থার কারণে ঢাকা ছেড়ে অনেক পরিবার গ্রামে চলে যাচ্ছে জানিয়ে মান্না বলেন, এমন ঘটনা লকডাউনেও হয়েছে, এখনো হচ্ছে। তাহলে দেশের উন্নয়নের কথা বলে আওয়ামী লীগ মিথ্যা বলে কেন? মূলত এরা বাটপার ও প্রতারক। এদের ক্ষমতায় রাখা যাবে না।

মান্না বলেন, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলল বাংলাদেশ সরকার থেকে আমাদের কাছে কোনো অর্থপাচারের তথ্য চাওয়া হয়নি। অথচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলল সুইজারল্যান্ড রাষ্ট্রদূত মিথ্যা বলছে।

এ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, এই সরকারের কাছে কিছু আশা করা যায়  না। তারা দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করে দিয়েছে। তাদের ছোট নেতারাও  হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। বড় নেতারা কত হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে এবার হিসাব করে দেখুন এবং বাংলাদেশে বর্তমান যে রিজার্ভ আছে তার চেয়েও বেশি ডলার তাদের কাছে আছে।

সভাপতির বক্তব্যে জাগপার সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেন, বাংলাদেশ এখন লোডশেডিং এবং দুর্নীতির রোল মডেল। সুতরাং এই জালিম সরকারের পতন ঘটাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে। আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন ঐক্যবদ্ধ আছি।

তাসমিয়া প্রধানের সভাপতিত্বে ও জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, এনডিপির চেয়ারম্যান কারী আবু তাহের, কল্যাণ পার্টির অতিরিক্ত মহাসচিব নুরুল কবির পিন্টু, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এলবার্ট পি কস্ট্রা, জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান
প্রমুখ।

বোমা হামলায় তালেবানের ধর্মীয় নেতা রহিমুল্লাহ হাক্কানি নিহত

বৃহস্পতিবার এক বোমা হামলায় নিহত হয়েছেন তালেবানের শীর্ষ পর্যায়ের ধর্মীয় নেতা শেখ রহিমুল্লাহ হাক্কানি। তালেবান প্রশাসনের মুখপাত্র বিলাল কারিমি বলেন, ‘খুব দুঃখের সাথে জানানো হচ্ছে যে সম্মানিত আলেম শেখ রহিমুল্লাহ হাক্কানি শত্রুদের কাপুরুষোচিত হামলায় শহীদ হয়েছেন’।

ইতিমধ্যেই সশস্ত্র গোষ্ঠী আইএসআইএল (আইএসআইএস) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। চারটি তালেবান সূত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, ‘হামলাকারী এমন একজন ছিলেন যিনি আগে তার পা হারিয়েছিলেন। একটি প্লাস্টিকের কৃত্রিম পায়ে সে বিস্ফোরক লুকিয়ে রেখেছিল’।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র তালেবান কর্মকর্তা বলেন, ‘এই হামলাকারী ব্যক্তিটি কে ছিল এবং কে তাকে শেখ রহিমুল্লাহ হাক্কানির ব্যক্তিগত অফিসে প্রবেশের জন্য নিয়ে এসেছিল তা আমরা তদন্ত করছি। এটি আফগানিস্তানের ইসলামিক এমিরেটের জন্য একটি বিশাল ক্ষতি’।

পরে বৃহস্পতিবার আইএসআইএল তাল টেলিগ্রাম চ্যানেলে হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, হামলাকারী রহিমুল্লাহ হাক্কানির অফিসের ভেতরে একটি বিস্ফোরক ভেস্টে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল।

এসআইটিই (SITE) নামক একটি পর্যবেক্ষণকারী গ্রুপ আইএআইএল একটি বিবৃতি অনুবাদ করে জানায়, হাক্কানি ছিলেন তালেবান পক্ষের সবচেয়ে বিশিষ্ট উকিল এবং আইএসআইএল এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রধান উদ্বুদ্ধকারী।

হাক্কানি তালেবানের একজন বিশিষ্ট পন্ডিত ছিলেন। এর আগেও বেশকিছু হামলা থেকে তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন, যার মধ্যে ২০২০ সালে পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে পেশোয়ার শহরের একটি বড় বিস্ফোরণ উল্লেখযোগ্য। এই বিস্ফোরণে অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছিল বলে দাবি করেছিল আইএসআইএল গোষ্ঠী।

হাক্কানির মৃত্যুর খবর জানার পর অনেক তালেবান কর্মকর্তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করেন। কাবুল পুলিশের প্রাক্তন মুখপাত্র মবিন খান এক টুইটে লিখেন, ‘আপনি আপনার দায়িত্ব পালন করেছেন। ভাগ্যকে ঠেকানো যাবেনা। কিন্তু মুসলিম সম্প্রদায় এতিম হয়ে গেছে।’

শেখ কামালের জন্মদিন অনুষ্ঠানে না থাকায় ১৩ সরকারি কর্মকর্তাকে নোটিশ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার জন্য ১৩ সরকারি কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।

গত মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) নোটিশ পাওয়া ১৩ কর্মকর্তার একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন রাঙ্গুনিয়ার ইউএনও আতাউল গনি ওসমানী এ নোটিশ দেন।

সেই কর্মকর্তা বলেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সেদিন আমি বাড়িতে ছিলাম। আমার ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে নিতে হয়েছিল, যে কারণে আমি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারিনি। আমি ইতোমধ্যে নোটিশের জবাব দিয়েছি।

বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের ৭৩তম জন্মদিন উদযাপিত হয় গত ৫ আগস্ট। 

ইউএনও স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় দিবসে নিজ নিজ কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও তারা তা অমান্য করেছেন। সরকারি আদেশ অমান্য করার দায়ে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

এ চিঠি হাতে পাওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য চিঠি পাঠানো হবে বলেও সতর্ক করা হয়।

চিঠি প্রসঙ্গে ইউএনও আতাউল গনি ওসমানী বলেন, সরকার ঘোষিত দিনগুলোতে সব সরকারি কর্মকর্তাকে উপস্থিত থাকার জন্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া, সরকারি চাকরি বিধিতেও সরকার ঘোষিত দিনগুলোতে সব সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার বিধান রয়েছে।

পরিপত্র ও বিধি মোতাবেক এই ১৩ কর্মকর্তাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ছাত্রলীগের ৩ নেতার বিরুদ্ধে ক্যাশবাক্স থেকে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

0

দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ নিয়ে জানা গেছে, সেই দোকানিকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থার ধরে ক্যাশবাক্স থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের সামনের এক দোকানে এমনটা ঘটেছে। অভিযুক্ত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দাবি করছেন, ভুক্তভোগী দোকানদারকে দোকানের ভেতর এক নারীর সঙ্গে তাঁরা  আপত্তিকর অবস্থায় পেয়েছেন। শুরুতে তাঁদের সঙ্গে ওই দোকানদারের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দোকানের ঝাঁপ নামিয়ে দেন। এর বেশি কিছু ঘটেনি।

দোকানদার সেলিম হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, এক নারী কাস্টমার তাঁর দোকানে মুঠোফোনে রিচার্জ করতে আসেন। দোকানের দরজা খোলা থাকায় তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় দরজার শাটার নামিয়ে দিয়ে ছাত্রলীগের কিছু নেতা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে রাজি না হলে শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রাশেদ খান ক্যাশবাক্স থেকে ৫০ হাজার টাকা তুলে নেন।

তিনি বলেন, তখন ঘটনাস্থলে রাশেদের সঙ্গে শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সামিউল আলম ওরফে সোহাগ এবং আইবিএ হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সিনহাও ছিলেন। 

অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সভাপতি রাশেদ খান বলেন, দুপুরে খাওয়ার জন্য আমি হলের নিচে আসি। আসার পর দেখি ওই দোকানের সামনে হট্টগোল চলছে। দোকানের ভেতর মেয়ে থাকা নিয়ে সিনহা ও সোহাগ মিলে দোকানিকে আটকে রেখেছেন। আমি সেখানে যাওয়ার এক মিনিটের মধ্যে সহকারী প্রক্টর এসে তাঁদের নিয়ে যান। আমি কোনো টাকা নিইনি।

ঘটনার বিবরণ নিয়ে আইবিএ হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সিনহা বলেন,  আমি চারুকলা থেকে খাওয়াদাওয়া করে আসছিলাম। এসে দেখি ওখানে দোকানদারকে নারীসহ আটকে রাখা হয়েছে। পরে প্রক্টর এসে তাঁদেরকে নিয়ে যান। টাকা নেওয়ার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আসাবুল হক বলেন, ফোনে অভিযোগ পেয়ে তাঁদের দুজনকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দোকানদার সেলিম আমাদের বলেন, এক নারী তাঁর দোকানে রিচার্জ করতে একটু ভেতরে ঢুকেছিলেন। তখন সোহাগ নামের একজন দোকানের শাটার নামিয়ে দিয়ে মানুষ ডাকাডাকি শুরু করেন। তবে দোকানদার কিন্তু আমাদের কাছে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেননি।
আপাতত তাঁকে দুই দিন দোকান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন,  আমরা আপত্তিকর কার্যকলাপের অভিযোগকারী ব্যক্তিদের বক্তব্যও শুনব। আর দোকানদার যদি টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন, তাহলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেব।

দেশের মানুষ বেহেশতে আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বৈশ্বিক মন্দায় অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতে আছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পে ‘ভূমি অধিগ্রহণ বিষয়ক’ মতবিনিময় সভা শেষে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাবে, একটি পক্ষ প্যানিক ছড়ানোর জন্য এমন কথা বলছে। বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে যেসব দেশে অর্থ পাচার হয়, এদের মধ্যে সুইস ব্যাংকের কাছে তাদের তথ্য চাওয়া হলে, তারা তথ্য দিতে চায় না। এটা তাদের মজ্জাগত সমস্যা।

তিনি বলেন, অতীতে ৬৭ জনের নাম উল্লেখ করে চিঠি দিয়ে তাদের অর্থের তথ্য চায় অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু সুইস ব্যাংক সে সময় কেবল একজনের তথ্য দিয়েছিল। আরও কয়েকবার তথ্য চাওয়া হলেও তাদের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, তথ্য চাওয়া হয়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের বন্ধু দেশ। তাই তাদেরকে তথ্যের বিভ্রাট না করার আহ্বান জানাই।

মতবিনিময় সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে রিজিওনাল হাব হিসেবে ব্যবহার করতে এ বিমানবন্দরে উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে রানওয়ে সম্প্রসারণ করাসহ আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে নতুন টার্মিনাল ভবনের কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, আগামীতে সিলেট থেকে সরাসরি নিউইয়র্কে ফ্লাইট যাবে। আমরা এতদূর অগ্রসর হয়েছি।

মতবিনিময় সভায় বিমান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেনসহ আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোশাররফ হোসেন, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ।

রাজধানীতে এটিএম বুথে টাকা তোলার সময় ব্যবসায়ী খুন

বেসরকারি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে শরিফ উল্লাহ (৪৪) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) এই তথ্য নিশ্চিত করেন উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন।

ওসি মহসিন জানান, নিহত শরিফ উল্লাহ পেশায় টাইলস ব্যবসায়ী। উত্তরা অবস্থিত জাকিয়া টাইলস্ গ্যালারি অ্যান্ড স্যানিটারি নামে তাদের একটি পারিবারিক প্রতিষ্ঠান আছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোড ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলেন শরিফ উল্লাহ।

বুথের ভেতর টাকা গোনার সময় মো. আব্দুস সামাদ (৩৮) নামে এক ছিনতাইকারী বুথের ভেতর প্রবেশ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য শরিফ উল্লাহকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে তিনি ওই বুথের ভেতরেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্য চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে অন্যান্য কাজ শেষ করে বর্তমান ঠিকানা টঙ্গী যাওয়ার সময় ওই বুথের ভেতরেই এই ঘটনাটি ঘটে। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জ উপজেলার মধুপুর গ্রামে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।